রবিবার ১২ জুলাই, ২০২০ ১৩:১২ পিএম


একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০:৩২, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১২:৪৯, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। খসড়া নীতিমালায় ভর্তি কোটা ও আবেদন প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। এবার আর এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ থাকছে না। আবেদন করা যাবে শুধুই অনলাইনে। ভর্তি আবেদন ১০ মে শুরু হয়ে ২৫ জুন শেষ করার প্রস্তাব করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।

অনলাইনে একাদশ শ্রেণির প্রথম ধাপের ভর্তি আবেদন আগামী ১০ থেকে ২০ মে পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে। ২৭ থেকে ৩১ জুন যাচাই-বাছাই, আপত্তি ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম চলবে। ৮ জুন প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। তবে পুনঃনিরীক্ষায় এসএসসি পরীক্ষার ফল পরিবর্তনকারীরা ১ থেকে ৩ জুন পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু হবে ১৭ জুন, ২০ জুন শেষ হবে। একই দিন রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে। তৃতীয় ধাপে ২৩ জুন আবেদন শুরু হয়ে ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে। ২৫ জুন রাত ৮টার পর এ ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত একাদশের ভর্তি নীতিমালা চূড়ান্তকরণের সভায় খসড়া নীতিমালাটি উপস্থাপন করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও সচিব মো. মাহবুব হোসেন ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, এ বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে মুক্তিযোদ্ধা, প্রবাসী ও বিকেএসপি কোটা বহাল থাকছে। তবে, অন্যান্য কোটা নিয়ে প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় কোন কিছু উল্লেখ করা হয়নি। ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ব্যয় কমাতে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া ভর্তিতে ফি আবেদন ফি ও ভর্তি ফি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, এবারও অনলাইনে ১০টি কলেজ বা মাদরাসায় আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এসএমএস করে ভর্তির জন্য আবেদন করা যাবে না। আবেদন প্রক্রিয়ার খরচ বাড়ছে ৫ টাকা।

খসড়া নীতিমালায় একাদশে বিশেষ কোটা হিসেবে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, দশমিক পাঁচ শতাংশ বিকেএসপি এবং দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রবাসী কোটা বহাল থাকছে। প্রবাসীদের সন্তান ভর্তির বিষয়ে সরাসরি বোর্ডে আবেদন করতে হবে। তবে, বিভাগীয় ও জেলা সদর এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধস্তন দপ্তরগুলোর কোটার বিষয়ে খসড়ায় কিছু উল্লেখ করা হয়নি।

এবার ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার এমপিওভুক্ত কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা। এছাড়া ঢাকার মধ্যে আংশিক এমপিওভুক্ত ও এমপিওবিহীন প্রতিষ্ঠানের বাংলা মাধ্যম ভর্তির জন্য ৯ হাজার ও ইংরেজি মাধ্যমের ভর্তি ফি ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হবে। সব প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্নয়ন ফি ৩ হাজার টাকার বেশি করা যাবে না। প্রতিটি খাতে অর্থ আদায়ের ক্ষেত্রে রসিদ প্রদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া মফস্বল ও পৌর এলাকার জন্য ভর্তি ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার টাকা, পৌর জেলা সদরে ২ হাজার টাকা, ঢাকা ব্যতীত অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকার বেশি নেয়া যাবে না বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খসড়া নীতিমালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তরের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কোটা তুলে দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়ার ফি ৫ টাকা বাড়ছে। ভর্তি ফিয়ের বিষয়টি আরও সভা করে চূড়ান্ত করা হবে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর