মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল, ২০২০ ১৫:৩১ পিএম


একটি মানুষ যখন একটি দেশ : মুহম্মদ জাফর ইকবাল

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

প্রকাশিত: ১৩:১৬, ১৭ মার্চ ২০২০  

আজ থেকে ঠিক একশত বছর আগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে মায়ের কোল আলো করে একটি শিশুর জন্ম হয়। কেউ তখনও জানত না প্রায় অর্ধশতাব্দী পর এই শিশুটি এবং একটি দেশ সমার্থক হয়ে যাবে-তিনি হবেন বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের স্থপতি, একজন রাষ্ট্রনায়ক এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । তাঁর জীবনের মতো বর্ণাঢ্য, ঘটনাবহুল, বৈচিত্র্যময় এবং অবিশ্বাস্য জীবন কাহিনী এই পৃথিবীতে খুব বেশি নেই। একদিকে তিনি ছিলেন প্রায় অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী একজন রাজনীতিবিদ, একজন নেতা এবং সংগঠক, অন্যদিকে তিনি ছিলেন এই দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কাছাকাছি একজন মাটির মানুষ । সারা পৃথিবীর মানুষ এখন জানে, কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ছাড়া লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে, তাদের মুখের ভাষায় কথা বলে মাত্র আঠারো মিনিটের একটি ভাষণে তিনি একটি দেশের গতিপথ নির্ধারণ করে দিতে পারেন।


তরুণ বয়সে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর হাত ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন রাজনীতি শুরু করেছিলেন তখন এই উপমহাদেশে রাজনীতির সবচেয়ে বড়ো অস্ত্র ছিল ধর্ম। সময়টি ছিল ধর্ম নিয়ে ভেদাভেদের সময়, হানাহানি এবং রক্তপাতের সময়। এই কলুষিত দুঃসময়েও বঙ্গবন্ধু ছিলেন বিস্ময়করভাবে ধর্মনিরপেক্ষ, ধর্ম পরিচয় নয়-মানুষ পরিচয়টিই ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে বড়ো । তাই ৪৬ সনের হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গার সময় তিনি হিন্দু এবং মুসলমানদের সমানভাবে রক্ষা করেছেন, পঞ্চাশের মন্বন্তরের সময় লঙ্গরখানা খুলে সকল ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে অন্ন জুগিয়েছেন। তার রাজনৈতিক দল আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম পরিবর্তন করে সকল ধর্মের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য “আওয়ামী লীগ` নামকরণ করেছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানেরও একটি মূল আদর্শ ছিল ধর্মনিরপেক্ষতা । এই মুহুর্তে সারা পৃথিবীতে বখন আবার ধর্ম নিয়ে হানাহানি শুরু হয়েছে তখন সবাই বঙ্গবন্ধুর মতো একজন পুরোপুরি মানবিক নেতার অভাব তীব্রভাবে অনুভব করে ।

বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক মেধা ছিল অবিশ্বাস্য । তাই ভারত পাকিস্তান দেশ ভাগের এক বছরের ভেতর তিনি বুঝে গিয়েছিলেন, যে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্য তিনি আন্দোলন করেছিলেন সেই রাষ্ট্রটি বাঙালিদের জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। তিনি তার প্রমাণও চোখের সামনে দেখতে পেলেন। শুধু বঞ্চনা এবং শোষণ নয়, পাকিস্তান নামের রাষ্ট্রটি বাঙালিদের নিজের ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার অধিকারটুকুও দিতে রাজি নয়। রাষ্ট্রভাষার আন্দোলন করে তিনি সেই ৪৮ সালে প্রথমবার জেলে গেলেন-তারপর কতবার জেলে গিয়েছিলেন মনে হয় তার কোনো হিসাব নেই! বঙ্গবন্ধু সঠিকভাবে বুঝেছিলেন বাঙালিদের দাবি আদায় করে নেবার জন্য দরকার একটি সুগঠিত শক্তিশালী রাজনৈতিক দল । দল সংগঠিত করার জন্য তিনি মন্ত্রিত পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন । আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে শুরু করে তিনি দেখতে দেখতে সত্যিকারের নেতা হয়ে উঠলেন । প্রথমে যুগাসম্পাদক, তারপর সাধারণ সম্পাদক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর সবশেষে সভাপতি । ১৯৫৮ সালে শুরু হলো আইয়ুব খানের সামরিক শাসন, সারা দেশে রাজনৈতিক নেতাদের ওপর জেল-জুলুম, বঙ্গবন্ধু তার মাঝে তার দলকে সংগঠিত করে চললেন। বঙ্গবন্ধু আজীবন রাজনীতি করেছেন দেশের শক্তিশালী সুসংগঠিত একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি হিসেবে তিনি বাঙালির স্বাধিকারের জন্য ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ঘোষণা করলেন। ঘোষণা দিয়েই শেষ নয়, সারাদেশ ঘুরে ঘুরে তিনি ছয় দফার পক্ষে বিশাল জনমত গড়ে তুললেন। ছয় দফার সনদটি ছিল স্বাধিকারের মোড়কে ঢাকা স্বাধীনতার ডাক। দেশের মানুষ তাই ছয় দফাকে লুফে নিল, বঙ্গবন্ধুর পিছনে একতাবদ্ধ হতে শুরু করল প্রবল আগ্রহে। বিপদ টের পেয়ে আইয়ুব খানের সরকার শুধু বঙ্গবন্ধু নয়, তার দলের ছোটো বড়ো সব নেতাকে জেলখানায় পুরে রাখল । শুধু তাই নয়, তাদের অস্তিত্বের জন্যে “বিপজ্জনক` এই নেতাকে ফাঁসিকাষ্ঠে দেয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র’ মামলা চাপিয়ে দেয়া হলো।

দেশের সেই ক্রান্তিলগ্নে ১৯৬৯ সালে তখন ছাত্র সমাজ এগিয়ে এসেছিল, সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ তৈরি করে তারা সারাদেশব্যাপী একটি বিশাল গণআন্দোলন শুর করে দেশকে উথাল-পাথাল করে দিলো । আইয়ুব খানের সরকার বাধ্য হলো বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে। দেশের ছাত্র-জনতা তাদের নেতাকে ফিরে পেয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্সের ময়দানে ১০ লক্ষ থেকে বেশি মানুষের সামনে তাঁকে প্রথমবার ‘বঙ্গবন্ধু’ হিসেবে সম্মানিত করে, সেই থেকে তিনি সবার কাছে বঙ্গবন্ধু হিসেবে পরিচিত।

জেনারেল ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা দিয়ে আইয়ুব খান মাথা হেঁট করে চিরদিনের জন্য রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন । পাকিস্তানের নতুন সামরিক সরকার নির্বাচনের ঘোষণা দিল । তাদের হিসাব ছিল খুব সহজ, তারা দেখে এসেছে রাজনৈতিক নেতাদের মাঝে শুধু বিভেদ আর অনৈক্য, কাজেই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে কেউ সরকার গঠন করতে পারবে না, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ক্ষমতায় থেকে যাবে যতদিন তাদের ইচ্ছে।

তাদের হিসেবে অনেক বড়ো একটা ভুল ছিল, তারা বঙ্গবন্ধুর সত্যিকারের ক্ষমতা অনুমান করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু বাঙালিদের স্থাধিকারের সপ্ন দেখিয়ে একতাবন্ধ করে রেখেছেন। তাই সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু দুইটি সিট ছাড়া বাকি সব সিট পেয়ে গেলেন। এখন তিনি শুধু বাঙালিদের নয়, পুরো পাকিস্তানের একচ্ছত্র নেতা, এই প্রথমবার পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাবে একজন বাঙালি। পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেটা কেমন করে মেনে নেবে? শুরু হয়ে গেলো কুটিল নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্র । সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ১ মার্চ হঠাৎ করে ইয়াহিয়া খান প্রস্তাবিত গণপরিষদ অধিবেশন স্থগিত করে দিলেন, খবরটা প্রচারিত হবার সাথে সাথে পুরোদেশ প্রচণ্ড বিক্ষোভে ফেটে পড়ল, মুহূর্তের মাঝে ঢাকা নগরী হয়ে গেল মিছিলের নগরী!

পৃথিবীর মানুষ তখন অবাক হয়ে দেখল একজন মানুষ কেমন করে একটি দেশ হয়ে ওঠে । বঙ্গবন্ধুর একটি তর্জনী হেলনে পুরো দেশ থমকে দাড়াল । পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বিস্ময়কর অসহযোগ আন্দোলনে পুরোদেশ রাষ্ট্রযস্ত্রের অধীনে নয় বঙ্গবন্ধুর মুখের কথায় পরিচালিত হতে লাগল । বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ সেই সময়কার রেসকোর্স ময়দানে লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে দাড়িয়ে তার জগৎ বিখ্যাত ভাষণ দিয়ে ঘোষণা করলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম । যেটি ছিল স্বাধিকারের সংগ্রাম, সেই মুহূর্তে সেটি স্বাধীনতার সংগ্রামে পালটে গেল। তখনো কেউ জানতো না রক্ত যদি স্বাধীনতার মূল্য হয়ে থাকে তাহলে কতো মূল্য দিয়ে এই স্বাধীনতা কিনতে হবে ।

পরের ইতিহাসটুকু আমরা সবাই জানি-সেটি ছিল আত্মত্যাগের ইতিহাস, বীরত্বের ইতিহাস এবংঅর্জনের ইতিহাস । ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে মধ্যরাত থেকে পৃথিবীর নিষ্ঠুরতম গণহত্যা শুরু হয়ে গেল, গ্রেপ্তারের পূর্ব মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গেলেন। তাকে পাকিস্তানের একটি বন্দিশালায় বন্দি করে রাখা হয়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তাঁর নামে মুক্তিযুন্ধ পরিচালিত হতে থাকে। পাকিস্তানের বন্দিশালায় বঙ্গবন্ধুর বিচার করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো, শঙ্কাহীন অবিচল বঙ্গবন্ধু তাঁর শেষ ইচ্ছাটি জানিয়ে দিলেন, মৃত্যুদণ্ডের পর তাঁর মৃতদেহটি যেন বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নয় মাসের যুদ্ধ শেষে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে। বাংলাদেশের মাটিতে লাল সবুজ পতাকার বুকে সোনালি বাংলাদেশ আঁকা পতাকাটি উড়তে শুরু করে । সেই পতাকায় লাল সূর্যটি কত রক্ত দিয়ে আঁকা হয়েছে, কত অশ্রুতে সেটি সিক্ত রয়েছে তার ইতিহাস তথন পর্যন্ত জানে শুধু স্বজনহারা আপনজন । বিজয়ের পর সারা পৃথিবীর চাপে পাকিস্তান সরকার দেশের মানুষের কাছে ফিরে এলেন জানুয়ারির ১০ তারিখে । মানুষের ভালোবাসার সেই স্বতঃস্ফূর্ত বহিঃপ্রকাশের মতো সেই অনুপম দৃশ্যটি এভাবে পৃথিবীর আর কোথাও ঘটেছে বলে জানা নেই।

দেশে ফিরে এসে বঙ্গবন্ধু দেশ পুনগঠনে হাত দিলেন। দেশে তখন লক্ষ লক্ষ বাস্তহারা মানুষ, পিতৃহারা পরিবার, সন্তানহারা মা, লাঞ্ছিতা নারী, পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধা, হতদরিদ্র জনগণ । তাদের ঘর নেই, বাড়ি নেই, পরনে কাপড় নেই, মুখে খাবার নেই । দেশে রাস্তাঘাট নেই, সেতু লেই, যানবাহন নেই, স্কুল নেই, কলেজ নেই, লেখাপড়ার বই নেই, খাতা নেই। অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, শুধু মানুষের বুকে বিশাল একটা প্রত্যাশা । নুতন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র, বৈরী আবহাওয়া, দুর্ভিক্ষের প্রতিধ্বনি এরকম অসংখ্য প্রতিকূলতার মাঝখানে বঙ্গবন্ধু কাজ শুরু করলেন। অবিশ্বাস্য দ্রুততায় এক বছরের ভেতর জাতিকে একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান উপহার দিলেন । তিনি জানতেন দেশকে পুনর্গঠনের প্রথম ধাপ হচ্ছে শিক্ষার পুনর্গঠন, তাই দেশে ফিরে আসার সাত মাসের মাথায় তিনি একটি শিক্ষা কমিশন তৈরি করে তার দায়িক় দিলেন বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদা-কে । তিনি শুধু মুখে সমাজতন্ত্রের কথা বলেননি, সেটি বাস্তবায়নের জন্য দেশকে উপহার দিলেন প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা । ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করে দিলেন, কুষি উপকরণ সরবরাহ করার উদ্যোগ নিলেন, শিল্পের জাতীয়করণ করলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরও বাংলাদেশের সবচেয়ে মুল্যবান সম্পদ তার গ্যাস ফিল্ডগুলোর মালিকানা ছিল বিদেশি কোম্পানির। ১৯৭৫ সালের আগস্ট মাসের ৯ তারিখ সেগুলো কিনে নিল বাংলাদেশ সরকার ।

সন্তাহ না ঘুরতেই আগস্ট মাসের ১৫ তারিখ ভোরবেলা পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম একটি হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করা হলো। দুধের শিশু থেকে নববিবাহিতা বধূ কিংবা অন্তঃসত্ত্বা নারীটিও রক্ষা পেল না। বঙ্গবন্ধুর রক্তে রঞ্জিত হলো এই অভাগা দেশের মাটি । যে দেশটির তিনি জন্ম দিয়ে গেছেন সেই দেশটিকে গড়ে তোলার সময়টুকুও তাঁকে দেওয়া হলো না।

তারপর কতদিন কেটে গেছে। বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধুর সমার্থক, তাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে আসলে বাংলাদেশকেই হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে গড়ে তোলা বাংলাদেশ তার পথ হারিয়ে বিভ্রান্তির কানা গলিতে হারিয়ে গেল।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যে অপরাধ করা হয়েছিল তার থেকেও জঘন্য অপরাধ করতে এগিয়ে এল মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী যুদ্ধাপরাধীর আশীর্বাদপুষ্ট সরকার। তারা বাংলাদেশের মাটি থেকে বঙ্গবন্ধুর শেষ চিহুটিও মুছে ফেলতে চাইলো । এই দেশে প্রজন্মের পর প্রজন্ম বড়ো হলো বঙ্গবন্ধুর কথা না জেনে, তাঁর ছবি না দেখে, কষ্ঠন্থর না শুনে । কেমন করে শুনবে? বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের সেই অগ্নিঝরা ভাষণ পর্যন্ত এই দেশে নিষিদ্ধ । কিন্তু যেই মানুষটি এই দেশের মানুষের হৃদয়ের গহীনে আশ্রয় নিয়ে আছেন, কোন পাপিষ্ঠ, কোন দুরাত্মার সাধ্য আছে তাঁকে সেখান থেকে অপসারণ করার?

তাই বঙ্গবন্ধু তার জন্মশতবার্ষিকীতে ফিরে এসেছেন তার পূর্ণ মহিমায়। যতদিন বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাকা আকাশে উড়বে ততদিন বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকবেন আমাদের হ্রদয়ের গভীরে। বাংলাদেশের আকাশে, বাতাসে, মাটিতে । বাংলাদেশের হৃদয়ের গভীরে।

লেখক: মুহম্মদ জাফর ইকবাল, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

 

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর