শনিবার ২৪ আগস্ট, ২০১৯ ১৯:২৬ পিএম


উচ্চ মাধ্যমিক থেকেই নতুন স্বপ্নের যাত্রা

নিজামুল হক

প্রকাশিত: ০৯:৫৪, ১৩ মে ২০১৯   আপডেট: ১২:৪৩, ১৩ মে ২০১৯

এসএসসিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ও তার অভিভাবকদের এখন দৌড়ঝাঁপ কলেজের ভর্তি নিয়ে। সবারই লক্ষ্য একটি ভালো কলেজে ভর্তি হওয়া। অভিভাবকদের ধারণা, ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারলেই ভবিষ্যতের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব। তাই যে করেই হোক প্রিয় সন্তানদের ভবিষ্যতের চিন্তা করেই মানসম্মত কলেজেই ভর্তির জন্য চলে সব ধরনের চেষ্টা। সন্তানকে সঙ্গে করে চলে এক ভর্তিযুদ্ধ। যে যুদ্ধ স্বপ্ন পূরণের। তবে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে সেন্ট জোসেফ, হলিক্রস ও নটর ডেম কলেজে। এছাড়া অন্যান্য কলেজে গত কয়েক বছরের মতো এ বছরও ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে। ঈদের আগেই ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হবে। আর একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে ১ জুলাই থেকে।


অনিক ইসলামের স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। জিপিএ-৫ পাওয়া এ শিক্ষার্থী নটর ডেম কলেজে ভর্তি হতে চায়। তার বিশ্বাস, নটর ডেম কলেজে ভর্তি হতে পারলে মেডিক্যালে ভর্তি হওয়া নিশ্চিত। কারণ ওই কলেজে ভালো লেখাপড়া হয়। এই কলেজে ভর্তি হয়েই সপ্নের পথে যাত্রা শুরু করতে চায় সে। আয়শা মনির স্বপ্ন প্রকৌশলী হওয়া। সে কয়েকটি কলেজের তালিকাও তৈরি করে রেখেছে। যেখানে সে ভর্তির জন্য আবেদন করবে। রফিকুল আলম এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক। তিনি জানান, সন্তানের এসএসসির ফলে উচ্ছ্বসিত ছিলাম। সন্তানকে ভবিষ্যতে প্রকৌশলী হিসাবে দেখতে চাই। এ কারণে কলেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পছন্দের কলেজে ভর্তি করিয়ে সন্তানের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। আলিমুর রহমান নামে এক অভিভাবক জানান, কয়েকদিন ধরে ভালো কলেজগুলো খোঁজার চেষ্টা করছি। পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিগুলো দেখছি। এছাড়া বিভিন্ন মাধ্যমে জানার চেষ্টা করছি।

এবার ১৭ লাখ ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী এসএসসিতে পাস করেছে। একাদশ শ্রেণি পড়ানো হয় এমন কলেজের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৬৩টি। কলেজ ও মাদ্রাসায় আসন সংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। আসন ফাঁকা থাকবে প্রায় ১২ লাখ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৮৯৪ জন। দেশের ভালো কলেজে আসন সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি নয়। এ কারণে জিপিএ-৫ পেয়েও অনেকে কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। গতকাল থেকে উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ভর্তি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। ২৩ মে পর্যন্ত ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে। যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তবে পুনঃনিরীক্ষণের পর যাদের ফলাফল পরিবর্তন হবে তারা ৩-৪ জুনের মধ্যে আবেদন করতে পারবে।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিতদের তালিকা ১০ জুন প্রকাশ করা হবে। এসএমএস ও স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নোটিস বোর্ডে তালিকা প্রকাশ করা হবে। ১১ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের মনোনয়নপ্রাপ্ত কলেজে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আবেদন বাতিল হবে। যেসব শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হবে না তারা ১৯ ও ২০ জুনের মধ্যে ফের আবেদন করতে পারবে। কোনো ধরনের ফি দেওয়া ছাড়াই তাদের আবেদনে নতুন কলেজ সংযোজন ও বিয়োজন করতে পারবে। একই সময়ের মধ্যে যারা আবেদন করবে না বা ভর্তির নিশ্চয়তা সম্পন্ন করবে না তারাও আবেদন করতে পারবে।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর