সোমবার ২১ অক্টোবর, ২০১৯ ৩:৫৪ এএম


ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা ২ ছাত্রীর

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৯:২৫, ৫ অক্টোবর ২০১৯  

নান্দাইল পৌরসভার দুই নম্বর ওয়ার্ডের ঝালুয়া মহল্লায়। কনে দুলাল মিয়ার মেয়ে পপি আক্তার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। বিকেল ৫টার দিকে খবর পেয়ে ইউএনও মুহাম্মদ আবদুর রহিম সুজন ওই মহল্লায় যান। ইউএনওকে দেখে বর দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরিবারের লোকজন কনেকে লুকিয়ে ফেলে। ইউএনও নিকাহ নিবন্ধককে খুঁজলে মহল্লার মো. নাজমুল হোসেন (৪৮) নামে এক ব্যক্তি জানান, তিনি নিকাহ নিবন্ধক নন। তবে নিকাহ নিবন্ধকের কাছ থেকে রেজিস্ট্রার বই এনে বর-কনের তথ্য লেখেন। জন্মনিবন্ধন সনদ অনুযায়ী কনের বয়স ১৩ বছর। ইউএনও বিয়েটি বন্ধ করে কনের মায়ের কাছ থেকে ১৮ বছরের আগে বিয়ে দেবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করেন। 

অন্যদিকে খানাপিনা শেষ। বরকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে কনের ঘরে প্রবেশ করা হলো। রেজিস্ট্রির আগ মুহূর্তে কনের বয়স নিয়ে দুই কাজির মধ্যে তর্ক বাধে। এ সময় এক কাজির ফোনে এ প্রতিনিধি ইউএনওকে বিষয়টি অবহিত করেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাল্যবিয়েটি বন্ধ করে দেন ইউএনও। রক্ষা পায় পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া ছাত্রী পপি। অন্যদিকে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে পাঠিয়ে ১২ বছর বয়সের অন্য স্কুলছাত্রী মনির বিয়েও বন্ধ হয়। গতকাল এ দুটি বিয়ে হওয়ার কথা ছিল ময়মনসিংহের নান্দাইলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরে উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের একটি গ্রামে বাল্যবিয়ে আয়োজনের খবর আসে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রহিম সুজনের কাছে। তিনি বিয়েটি বন্ধ করার নির্েদশ দেন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইমান হোসেনকে।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর