শুক্রবার ১৯ জুলাই, ২০১৯ ২৩:০৩ পিএম


আয় ফেরত নিয়ে জাতীয়করণ হলে রাজস্বের ঘাটতি হবেনা

মো. নজরুল ইসলাম রনি

প্রকাশিত: ১১:১৭, ২৮ জুন ২০১৯  

প্রতিষ্ঠানের আয় ফেরত নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হলে সরকারের রাজস্বের কোন ঘাটতি হবেনা।কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোটি কোটি টাকার ফান্ড রয়েছে।আবার কোন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও বাদ দিয়ে স্বাধীন হতে চেষ্টা করেছে।কিন্তু সরকারী বই সহ অন্যান্য সরকারী সুযোগসুবিধা ভোগ করছে।

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার গুণগত মানও ভিন্ন।ভর্তি বাণিজ্য ত রয়েছেই। তাই এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি।জাতীয়করণ করে শিক্ষকদের কে দায়বদ্ধতার মাঝে আনলে শিক্ষার মান উন্নয়ন ঘটবে।তা ছাড়া স্বীকৃত প্রাপ্ত সব গুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে জাতীয়করণের আওতায় এনে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করণ প্রক্রিয়া চিরতরে বন্ধ করতে হবে।

বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা নড়বড়ে।শিক্ষা নীতির প্রয়োগ নেই।এমনটি চলতে থাকলে জাতি মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।

পৃথিবীর সব দেশেই শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষকদের সাথে বসে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময় করেন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি তৃণমূলের শিক্ষক নেতৃবৃন্দের সাথে বসতেন,তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হতো।
২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেটেএমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য কোন সুখবর নেই।অথচ আকাশছোঁয়া বেতন বৈষম্য। ১০০০টাকা বাড়ি ভাড়া,৫০০টাকা চিকিত্সা ভাতা,২৫%ঈদবোনাস। সারাজীবনে একটি মাত্র টাইমস্কেল তাও বর্তমানে বন্ধ। উচচতরগ্রেড দেওয়ার কথা বলেও কোন পদক্ষেপ নাই।শিক্ষকদের দাবি পূরণ না হলে শিক্ষার মান নেমে আসবে।


সভাপতি
বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও মুখপাত্র
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

 

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর