মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ১৬:৫১ পিএম


বুয়েট মনে করলে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে পারে : প্রধানমন্ত্রী

এডুকেশন বাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬:৪৮, ৯ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ১৮:২৩, ৯ অক্টোবর ২০১৯

বুয়েট কর্তৃপক্ষ মনে করলে সেখানে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে ঢালাওভাবে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের যে দাবি এর পেছনের কি কারন সেটা ভেবে দেখতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৯ অক্টোবর) গণভবনে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র সফর পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বুয়েটের কমিটি আছে, তারা যদি মনে করে বন্ধ (ছাত্ররাজনীতি) করে দিতে পারে। এখানে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না। এই যে ছেলেটাকে (বুয়েটের ছাত্র আবরার ফাহাদ) হত্যা করল, এটা তো কোনো রাজনীতি না। বসুনিয়াকে (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র রাউফুন বসুনিয়া) যে হত্যা করেছিল সেটা রাজনৈতিকভাবে।’

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ছাত্ররাজনীতি ব্যান্ড করে দিতে হবে- এটা তো মিলিটারি ডিক্টেটরদের কথা। এখানে রাজনীতিটা কোথায়? এর কারণটা কোথায়? এটা খুঁজে খুঁজে বের করতে হবে।’

শুধু ঢাকা নয়, সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা হল খুঁজে খুঁজে দেখা হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন,নির্মমভাবে পিটিয়ে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যায়কারীর বিচার হবেই। ফুটেজ পাওয়ায় অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সহজ হয়েছে।  আবরারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের যত ধরনের শাস্তি আছে সব দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, বুয়েটের খবর জানার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে আলামত সংগ্রহের নির্দেশ দেই। যখন পুলিশ আলামত সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে তাদের আটকে দেওয়া হলো। তিন ঘণ্টা আটকে রাখা হলো, কেন? সেটা জানা দরকার। অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কিনা। পরে আইজিপি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে।

‘আমি তো সঙ্গে সঙ্গে আইজিপিকে নির্দেশ দিয়েছি কোন রুমে কারা ছিল সবগুলোকে ধরে অ্যারেস্ট করো। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে আমি মেনে নেবো না। ছাত্রলীগকে সঙ্গে সঙ্গে ডেকেছি, নির্দেশ দিয়েছি ব্যবস্থা নেওয়ার।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে। কীসের ছাত্রলীগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কারো দাবির অপেক্ষায় তো আমি বসে থাকিনি। সঙ্গে সঙ্গে নির্দেশ দিয়েছি, গ্রেফতার শুরু হয়েছে। এরপর আন্দোলনই বা কীসের জন্য।

‘যে বাবা-মা সন্তান হারিয়েছে তাদের কষ্টটা কী সেটা আমি জানি। তাকে (আবরার ফাহাদ) এভাবে ধরে নৃশংসভাবে মারা, এটা কেন। যত রকম শাস্তি আছে সব দেওয়া হবে। কোনো দল দেখা হবে না।

এডুকেশন বাংলা /একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর