মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ৭:০০ এএম


আবরার হত্যার নির্দেশ কে দিয়েছিল ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে?

শীর্ষ ঠাকুর

প্রকাশিত: ০৯:২১, ১১ অক্টোবর ২০১৯   আপডেট: ০৯:২৩, ১১ অক্টোবর ২০১৯

বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের ছাত্রলীগ শাখার একটি সিক্রেট ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ রয়েছে। এটির নাম এসবিএইচএসএল (শের-ই-বাংলা হল ছাত্রলীগ)। এই গ্রুপেই এসেছিল আবরার ফাহাদকে মারধরের নির্দেশ। তবে কে দিয়েছিলেন এই নির্দেশ।পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য। শনিবার রাতে অর্থাৎ ৫ অক্টোবর। ৫ অক্টোবর আবরার ফাহাদ বাড়িতে ছিলেন। তিনি এসেছেন রবিবার অর্থাৎ ৬ অক্টোবর। আর নির্দেশ মতো রবিবার রাতেই তাকে মারপিট করা হয় নির্মমভাবে।

শনিবার রাতে ছাত্রলীগ নেতাদের সিক্রেট গ্রুপে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন লেখেন, ‘সেভেন্টিনের আবরার ফাহাদ। মেরে হল থেকে বের করে দিবি দ্রুত। এর আগেও বলছিলাম। তোদের তো দেখি বিগার নাই। শিবির চেক দিতে বলেছিলাম। দুই দিন টাইম দিলাম।’

এরপর একজন সেখানে লিখেন, ‘ওকে ভাই’। মেহেদী আবারও লিখেন, ‘দরকারে ১৬তম ব্যাচের মিজানের সাথে কথা বলবি। ও তার সঙ্গে শিবিরের ইনভলভমেন্ট থাকার প্রমাণ দিবে।’

ম্যাসেঞ্জার গ্রুপেই রবিবার রাত ৭টা ৫২ মিনিটে সবাইকে হলের নিচে নামার নির্দেশ দেন মনিরুজ্জামান মনির। রাত ৮টা ১৩ মিনিটে আবরারকে নিজ কক্ষ থেকে ডেকে করিডোর দিয়ে দোতলার সিঁড়ির দিকে নিয়ে যান সাদাত, তানিম, বিল্লাহসহ কয়েকজন।

এরপর রাত ১টা ২৬ মিনিটে ইফতি মোশাররফ সকাল ম্যাসেঞ্জারে লেখেন, ‘মরে যাচ্ছে, মাইর বেশি হয়ে গেছে। এখন আমরা কী করব?’ রবিন বলে, ‘শিবির বলে পুলিশের হাতে তুলে দে।’

গতকাল ইফতি মোশাররফ সকাল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য দিয়েছেন। তিনি নিজের দোষ স্বীকার করে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে আবরারকে মারার নির্দেশ দেন রবিন।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর