সোমবার ২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ৩:৩৮ এএম


আইনগত বাধা থাকলেও প্রেষণে নিয়োগ চলছে রাজশাহী বোর্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:৪৮, ৩ জানুয়ারি ২০২০  

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পূরণ করা হচ্ছে প্রেষণের কর্মকর্তা দিয়ে। সুস্পষ্ট আইনগত বাধা থাকলেও প্রেষণে নিয়োগ এখনো চলছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রেষণের কর্মকর্তারা বোর্ডের স্থায়ী কর্মকর্তাদের কোনো গুরুত্বই দেন না। বরং দায়িত্ব নিয়েই জড়িয়ে পড়েন নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ ও বিব্রত শিক্ষা বোর্ডের স্থায়ী কর্মকর্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ মোতাবেক স্বায়ত্তশাসন এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র মোতাবেক চেয়ারম্যান ব্যতীত শিক্ষা বোর্ডের অন্য কর্মকর্তাদের প্রেষণে নিয়োগের সুযোগ নেই। আবার ‘বিসিএস রিক্রুটমেন্ট রুল্স-১৯৮১’ অনুযায়ী শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা কেবল তপশিলভুক্ত পদসমূহে সীমাবদ্ধ থাকবেন। শিক্ষা বোর্ডের পদগুলো তপশিলভুক্ত না হলেও প্রচলিত আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সেখানে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

সূত্র জানায়, ১৯৯২ সালে বিএনপি আমলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা), কলেজ পরিদর্শক এবং বিদ্যালয় পরিদর্শক পদে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রেষণে নিয়োগ শুরু হয়। সেই থেকে বোর্ডের উল্লেখিত পদসমূহে প্রেষণে নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান সচিব অধ্যাপক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন (ইসলামের ইতিহাস বিভাগ) আড়াই মাস আগে প্রেষণে নিয়োগ পেয়েছেন।

সর্বশেষ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে ২৪ ডিসেম্বর নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম (ইতিহাস)। তবে তিনি গতকাল পর্যন্ত যোগদান করেননি। ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করছেন অধ্যাপক দেবাশীষ রঞ্জন রায়। ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই থেকে কলেজ পরিদর্শক পদে অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমান, ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে উপপরিচালক (হিসাব ও নিরীক্ষা) পদে মো. বাদশা হোসেন (অর্থনীতি) এবং ২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় পরিদর্শক পদে অধ্যাপক দেবাশীষ রঞ্জন রায় (ইতিহাস) প্রেষণে রয়েছেন।

এডুকেশন বাংলা/এজেড

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর