সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ৬:০১ এএম


আইইউবিএটির শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের সৌর বিদ্যুত চালিত গাড়ি

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক :

প্রকাশিত: ১৯:৫৫, ৩০ মে ২০১৯  

আইইউবিএটির তরুণ শিক্ষার্থীরা তৈরি করেছেন পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুত চালিত গাড়ি। সূর্যের আলো থেকে শক্তি সংগ্রহ করে এই গাড়ি ৩০ কি.মি গতিতে সড়কে চলতে সক্ষম। আইইউবিএটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র লেকচারার অধ্যাপক ড. মোঃ দীন আরিফের তত্ত্বাবধানে চার শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব, মোঃ ইরফান উদ্দিন, মোঃ ফজলে রাব্বী এবং ইয়াকুব আরাফাত তাদের ফাইনাল ইয়ায়ারের চূড়ান্ত গবেষণা প্রকল্পের অংশ হিসেবে গাড়িটি তৈরি করেন।


আইইউবিএটির ল্যাবে বানানো গাড়িটি গত ২২ মে ২০১৯ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক এবং আব্দুল্লাহপুর- আশুলিয়া সড়কে চালানোর মধ্য দিয়ে প্রদর্শন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইইউবিএটি`র উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রব, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের চেয়ার অধ্যাপক ড. এ জেড এ সাইফুল্লাহ, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ)`র সহকারি পরিচালক মোঃ শহীদুল আজম , বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যম কর্মীরা।

গাড়ির প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড.আব্দুর রব বলেন, পরিবেশ রক্ষায় পৃথিবীজুড়েই সবুজ প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা চলছে।বাংলাদেশের সড়কের দূষণরোধ করতে আইইউবিএটির শিক্ষার্থীদের তৈরি করা সৌরবিদ্যুচালিত গাড়ি ভূমিকা পালন করবে।তিনি আরো বলেন বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের মজুত সীমিত। এ রকম অবস্থায় সৌরশক্তিচালিত গাড়িগুলো সমাধান হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।


বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ)`র সহকারি পরিচালক মোঃ শহীদুল আজম শিক্ষার্থীদের সৌর বিদ্যুত চালিত গাড়িটির পরীক্ষামূলক প্রদর্শন দেখে সন্তুষ্ট হয়ে বলেন আইইউবিএটির এরকম সামাজিক উন্নয়নে গবেষণামূলক প্রয়োগযোগ্য কাজে জড়িত থাকাটা অনুপ্রেরনাদায়ক।

তিনি আরো বলেন, সরকারের আধুনিকীকরন দৃষ্টি ভঙ্গির অংশ হিসেবে এবং সরকার –বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বিত যৌথ প্রচেষ্টায় এই সবুজ প্রযুক্তি সমর্থিত গাড়িটি বাণিজ্যিক করনের উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

এই গাড়ির বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলেন গত তিন মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের স্বপ্নের গাড়িটি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। আইইউবিএটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড.এম আলিমউল্যা মিয়ান স্যার কে উৎসর্গ করে আমাদের গাড়িটির নাম রেখেছি ‘মিয়ান গাড়ি’।

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসে তো বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাতকরণ করা সম্ভব হবে। সে ক্ষেত্রে ধারণক্ষমতা এবং গতিবেগ—দুটোই বাড়ানো যাবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হওয়ায় ক্রেতাদের সাধ্যের মাঝেই থাকবে।

এডুকেশন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর