মঙ্গলবার ২০ আগস্ট, ২০১৯ ০:১৮ এএম


অবসর ও কল্যানের অতিরিক্ত টাকা কর্তন, বিকল্প প্রস্তাবনা চান ডিজি

নিজামুল হক

প্রকাশিত: ২০:২৬, ৩০ এপ্রিল ২০১৯   আপডেট: ১১:৪৪, ১ মে ২০১৯

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের অবসর ও কল্যান ফান্ডের জন্য অতিরিক্ত টাকা কর্তন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে শিক্ষক নেতাদের বিকল্প প্রস্তাবনা দিতে বললেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। গতকাল মঙ্গলবার অধিদপ্তরের সভাকক্ষে ২৫ জন শিক্ষক নেতার সঙ্গে বৈঠকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়।

তবে এসব বৈঠক চলার মধ্যেই ১০ শতাংশ কেটে বেসরকারি শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের বেতনের চেক ছাড় করেছে অধিদপ্তর। বেসরকারি শিক্ষকদের কাছ থেকে এতো দিন অবসর ও কল্যান ফান্ডের জন্য মূল বেতনের ৬ শতাংশ কেটে রাখা হতো।

মন্ত্রনালয়ের বক্তব্য হলো, শিক্ষকরা যে পরিমান টাকা চাঁদা দেন এর চেয়ে অনেকগুন বেশি তাদের অবসর ও কল্যান সুবিধা হিসেবে প্রদান করা হয়। এতে প্রতিনিয়ত অবসর বোর্ড ও কল্যান ট্রাস্টকে অর্থ সংকটে পড়তে হচ্ছে। এজন্যই চাঁদার পরিমান বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষকরা বলছেন, আমাদের শুধুমাত্র মূল বেতন দেওয়া হয়। সেখান থেকে যদি ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হয় তাহলে আমাদের চলার উপায় থাকবে না।

মাউশি অধিদপ্তরে সভাশেষে শিক্ষক নেতারা জানান, আমরা ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তনের আদেশ এবং অতিরিক্ত চাঁদা কর্তন করে ছাড় করা বেতন স্থগিত করে আলোচনার দাবি জানিয়েছি। এছাড়া জটিলতা নিরসনে শিক্ষক সংগঠনের নেতা ও কর্মকর্তারে সমন্বয়ে কমিটি গঠনের দাবি তুলেছি।

তবে মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করবেন। অতিরিক্ত অর্থ কর্তন না করে বিকল্প কী উপায়ে সংকট মেটানো যায় সে ব্যাপারেও আমারে কাছ থেকে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে। তবে আলোচনায় আমরা সার্বিকভাবে সন্তুষ্ট নই।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনি, বাংলাদেশ শিক্ষক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল বাশার হাওলাদার, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. বজলুর রহমান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. কাওছার আলী শেখ প্রমুখ।

অন্যদিকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের নামে ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তনের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (বিটিএ)। একই সঙ্গে মাধ্যমিক শিক্ষা সরকারিকরণ, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা ও বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির াবি জানিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। মানববন্ধন শেষে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে কম ফোয়ারা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। পরে বিটিএর সভাপতি বজলুর রহমান মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাওছার আলীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি ল ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রান করা হয়।

এডুকশেন বাংলা/একে

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর