মঙ্গলবার ২৫ জুন, ২০১৯ ১৬:০২ পিএম


অপেক্ষার প্রহর শেষ হচ্ছে, চলতি মাসে ফল আগামী মাসে নিয়োগ

প্রকাশিত: ০২:০৪, ১৪ জানুয়ারি ২০১৯   আপডেট: ১৯:১১, ১৪ জানুয়ারি ২০১৯

নিয়োগ বন্ধ থাকায় দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য আছে। শিক্ষক স্বল্পতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া চলছে জোড়াতালি দিয়ে। এক বিষয়ের শিক্ষক নেন অন্য বিষয়ের ক্লাস। ফলে পড়াশোনার মানও নিম্নমুখী হচ্ছে এমন অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তবে আগামী মাসে এসব পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসাবে চলতি মাসের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) নিবন্ধিত প্রার্থীদের মেধাতালিকা প্রকাশ করার চিন্তাভাবনা করছে।

তথ্য অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে শিক্ষক নিয়োগে বয়সসীমা ৩৫ করা হয়েছে। বয়সসীমা পার হওয়ায় যারা আবেদন করতে পারছেন না তারা নতুন করে আদালতে ৭টি মামলা করেছে। মামলা শেষ না হওয়ায় শিক্ষক নিয়োগ দিতে বিলম্ব হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে নিবন্ধিত প্রার্থীরা আড়াই শতাধিক মামলা করেন।

আরো পড়ুন : এনটিআরসিএ যাদেরকে সুপারিশ করবে তারাই নিয়োগ পাবে

 

তথ্য অনুযায়ী, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার শূন্য আসনের বিপরীতে প্রায় ৩০ লাখ আবেদন জমা হয়েছে। মেধাতালিকায় প্রথম থেকে ১৪তম নিবন্ধনধারী প্রায় ৭ লাখ আবেদনকারীর মধ্যে গড়ে ৭টি করে আবেদন পড়েছে।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এসএম আশফাক হুসেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আবেদন গ্রহণ শেষে এখন যাচাই-বাছাই চলছে। চলতি মাসের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীদের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। সেখানে কোন কোন প্রতিষ্ঠানে যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন তা উল্লেখ করা হবে। ফেব্রুয়ারিতে যোগদান কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি জানান, ফল প্রকাশের পর যোগ্য প্রার্থীদের এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটিকে এসএমএস ও লিখিতভাবে এ তথ্য জানানো হবে। ৩০ দিনের মধ্যে যোগ্য প্রার্থীকে যোগদান করার নির্দেশনা থাকবে। আর এ সময়ের মধ্যে কেউ যোগদান না করেন তবে পরবর্তী মেধাতালিকায় থাকা প্রার্থীকে যোগ্য বলে বিবেচনা করা হবে।

জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩৯ হাজার ৫৩৫ শিক্ষক নিয়োগ দিতে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। ১৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইন আবেদন কার্যক্রম চলে। তালিকা অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১৪তম নিবন্ধিত চাকরি প্রত্যাশী পৌনে সাত লাখ প্রার্থী প্রায় ৩০ লাখ আবেদন করেছেন।

 এর আগে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ দিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি। নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় কেন্দ্রীয়ভাবে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় দু’বছর আগে থেকে।

সব খবর
এই বিভাগের আরো খবর